Juliana Rotich

জুলিয়ানা রোটিশ: আলাপ করুন বিআরসিকে- আফ্রিকার জন্য নির্মিত ইন্টারনেটের প্রবেশপথের সঙ্গে।

629,576 views • 9:33
Subtitles in 30 languages
Up next
Details
Discussion
Details About the talk
Transcript 30 languages
Translated by Apala Sengupta
Reviewed by Palash Ranjan Sanyal
0:11

আফ্রিকায় বসবাস করা মানে কিনারা ঘেঁষে থাকা, সেটা রূপক হিসেবে নেওয়া যাক বা সম্পূর্ণ আক্ষরিক অর্থে যখন আমরা ২০০৮ সালের আগের যোগাযোগ ব্যবস্থার কথা ভাবি । যদিও মানুষের মেধা ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিরাট অগ্রগতি ইউরোপ এবং বাকি বিশ্বে ঘটে গেছে, তবু আফ্রিকা খানিকটা বিচ্ছিন্নই ছিল। আর সেটার পরিবর্তন ঘটলো, প্রথমে জাহাজের মাধ্যমে যখন এল রেনেসাঁ, বৈজ্ঞানিক বিপ্লব আর তার সঙ্গে শিল্প বিপ্লব। আর এখন এসেছে ডিজিটাল বিপ্লব। এই বিপ্লবগুলো সমান ভাবে বণ্টিত হয়নি সব দেশ ও মহাদেশে। কখনোই হয়নি।

0:49

এই যে, এটা অন্তঃসামুদ্রিক ফাইবার অপটিক কেবলের একটা মানচিত্র যেটা আফ্রিকাকে বিশ্বের বাকি অংশের সঙ্গে যুক্ত করে। যেটা আমাকে সবথেকে বেশি আশ্চর্য করে সেটা হল আফ্রিকা তার ভৌগোলিক সীমানা পার করেছে। আফ্রিকা বাকি বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আর হয়েছে নিজের সঙ্গে। যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি ঘটেছে, কিন্তু কিছু বাধা এখনও রয়ে গেছে। এই পরিপ্রেক্ষিতেই উশাহিদির আবির্ভাব।

1:13

২০০৮ সালে আমরা যে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলাম সেটা হল তথ্যের আদান প্রদানের অভাব। ২০০৮ সালে একবার যোগাযোগ ব্যাবস্থার অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল, যখন কেনিয়াতে নির্বাচনের পরে হিংসার সূত্রপাত ঘটে। সেটা খুব দুঃখজনক সময় ছিল। সেটা খুব কঠিন সময় ছিল। তাই আমরা একসঙ্গে হলাম আর সফটওয়্যার তৈরি করলাম যার নাম উশাহিদি। সোয়াহিলিতে উশাহিদির মানে "ইস্তাহার" বা "সাক্ষী"। আমি খুব ভাগ্যবান যে আমি দুজন অদ্ভুত ভালো সহযোগীর সঙ্গে কাজ করতে পেরেছি। এই হচ্ছে ডেভিড আর এরিক। আমি ওদের অন্য মায়ের পেটের ভাই বলি। নিশ্চয়ই আমার কোথাও কোন জার্মান মা আছেন। আর প্রথমে আমরা একসঙ্গে কাজ করেছিলাম নির্মাণ করতে আর উশাহিদির বিকাশ ঘটাতে। তথ্য সংগ্রহ করাই ছিল এই সফটওয়্যারের উদ্দেশ্য এস এম এস, ই-মেল আর ইন্টারনেট থেকে, আর একটা মানচিত্রে সেটা চিহ্নিত করা যাতে আপনি দেখতে পারেন যে কোথায় কি ঘটছে, আর তথ্য আপনার দৃষ্টিগোচর হয়। আর সেই প্রাথমিক নমুনার পরে, আমরা বিনামূল্যে বিতরণ করার জন্য ওপেন সোর্স সফটওয়্যার বানাতে শুরু করলাম যাতে অন্যদের আমাদের মতো শূন্য থেকে শুরু করতে না হয়।

2:10

একই সময়, আমরা প্রতিদানও দিতে চাইছিলাম স্থানীয় প্রযুক্তিবিদ গোষ্ঠীকে যারা আমাদের সাহায্য করেছিল উশাহিদির বিকাশে আর সেই শুরুর দিনগুলোতে আমাদের পাশে ছিল। আর এই কারণেই আমরা নাইরোবিতে আই-হাব এর প্রতিষ্ঠা করলাম, একটা সত্যিকারের জায়গা যেখানে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারি, আর এটা এখন কেনিয়ার প্রযুক্তিগত বাস্তুতন্ত্রের একটা অবিচ্ছিন্ন অঙ্গ। আমরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে এটা করতে পেরেছিলাম যেমন ম্যাকআর্থার ফাউন্ডেশন আর ওমিদিয়ার নেটওয়ার্ক।

2:36

আর আমরা এই সফটওয়্যারের পরিকল্পনার বিকাশ ঘটাতে পেরেছিলাম, আর কিছু বছর পরে এটা হয়ে উঠলো খুব প্রয়োজনীয় একটা সফটওয়্যার। আর আমরা বিহ্বল হয়েছিলাম যখন এটা হাইতিতে ব্যাবহার করা হল যেখানে নাগরিকরা জানাতে পারে কোথায় তারা আছে আর তাদের কি প্রয়োজন, আর পারমানবিক সঙ্কটের ফলে সৃষ্ট তেজস্ক্রিয়তার সঙ্গে মোকাবিলা করতে, আর জাপানে সুনামিতে। এখন, এই বছর ইন্টারনেট কুড়ি বছর পূর্ণ করবে। আর উশাহিদির বয়স হবে পাঁচ।

3:03

উশাহিদি শুধুমাত্র আমাদের দ্বারা সৃষ্ট একটা সফটওয়্যার না, এটা একটা দল, আর একটা গোষ্ঠীও যেটা এই প্রযুক্তির এমন ব্যাবহার করছে যা আমরা ভাবতে পারিনি আমরা ভাবিনি যে এতগুলো মানচিত্র তৈরি হবে সারা পৃথিবী জুড়ে। আছে সঙ্কট মানচিত্র, নির্বাচনের মানচিত্র, দুর্নীতির মানচিত্র, আর এমনকি পরিবেশ পর্যবেক্ষণের গণ মানচিত্র। আমরা বিহ্বল যে যার উৎপত্তি কেনিয়াতে সেটা সারা বিশ্বের মানুষের কোনও না কোন ভাবে কাজে লাগছে তারা যে বিভিন্ন সমস্যার সাম্মুখীন হচ্ছে তার মোকাবিলা করতে। আমরা আরও কিছু করছি এই ধারনাকে কাজে লাগাতে যার ভিত্তি সমষ্টিগত মেধা। যেমন আমি, একজন নাগরিক হিসাবে, যদি আমার কোন যন্ত্রের মাধ্যমে কোন তথ্য অন্যদের জানাই, আপনি জানতে পারবেন যে কি ঘটছে, আর আপনিও যদি সেটা করেন, তাহলে আমরা একটা বৃহত্তর চিত্র পেতে পারি যে কি ঘটছে।

3:50

আমি কেনিয়াতে ২০১১ সালে ফেরত যাই। এরিক আসে ২০১০ এ। খুবই আলাদা বাস্তব। আমি থাকতাম শিকাগোতে যেখানে ইন্টারনেটে যোগাযোগের কোন অভাব ছিল না। আমাকে কোনোদিন ব্ল্যাকআউটের মোকাবিলা করতে হয়নি। আর কেনিয়াতে বাস্তব চিত্র পুরোপুরি অন্যরকম, আর একটা জিনিষ যেটা থেকে গেছে এত উন্নতি আর ডিজিটাল বিপ্লবের পরেও, সেটা বিদ্যুতের সমস্যা। দিনের পর দিন এর সঙ্গে মোকাবিলা করার যে হতাশা সেটা খুবই বিরক্তিকর হতে পারে। ব্ল্যাক আউট মজার ব্যাপার না। কল্পনা করুন যে আপনি কাজ শুরু করতে বসলেন, আর হঠাৎ করে বিদ্যুৎ চলে গেল, আর আপনার ইন্টারনেট যোগাযোগও তার সঙ্গেই গেল, তো আপনাকে এবার ভাবতে হবে, আচ্ছা, এখন মোডেমটা কোথায়, আর আমি এটা থেকে ওটাতে বদল করবো কি করে? আর তখনই, কি হয়? আপনাকে এই কাজটাই আবার করতে হয়। এটাই কেনিয়ার বাস্তব, যেখানে আমরা বর্তমানে আছি, আর আফ্রিকার অন্যান্য অংশেও।

4:40

অন্য যে সমস্যার আমরা সম্মুখীন হচ্ছি সেটা হল, যোগাযোগের খরচ এখনও একটা সমস্যা। আমাকে পাঁচ কেনিয়ান শিলিং খরচ করতে হয়, বা .০৬ আমেরিকান ডলার যদি আমি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা বা চীনে একটা কল করি। আন্দাজ করুন যে রোয়ান্ডা, ঘানা বা নাইজেরিয়াতে কল করতে কত খরচা হয়? তিরিশ কেনিয়ান শিলিং। খরচ বেড়ে ছয় গুণ হয়ে যায় আফ্রিকার সঙ্গে যোগাযোগ করতে গেলে। আর তাছাড়া, আফ্রিকার ভেতর সফর করার সময়, বিভিন্ন মোবাইল সরবরাহকারীর জন্য আপনাকে আলাদা আলাদা সেটিং করতে হবে। এই বাস্তবের সঙ্গেই আমাদের মোকাবিলা করতে হয়।

5:13

তাই উশাহিদিতে মজা করে আমরা বলি, "যেটা আফ্রিকাতে কাজ করছে, সেটা সব জায়গায় কাজ করবে।" [বেশীরভাগ মানুষ প্রযুক্তি ব্যবহার করেন ক্রিয়া নির্ধারণের জন্য। আমরা ক্রিয়া দিয়ে প্রযুক্তি পরিচালনা করি।] কি হবে যদি আমরা অতিক্রম করতে পারি এই সমস্যা অনির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট আর বিদ্যুতের আর যোগাযোগের খরচ কম করতে পারলে? আমরা কি ক্লাউডকে কাজে লাগাতে পারবো? আমরা একটা গণ মানচিত্র তৈরি করেছি। তৈরি করেছি উশাহিদি। আমরা কি এই প্রযুক্তিগুলোকে কাজে লাগাতে পারি বিভিন্ন দেশে ঘোরার সময় চটপট নেটওয়ার্ক বদল করার জন্য?

5:42

তাই আমরা মনোযোগ দিলাম মোডেম এ যা ইন্টারনেট ব্যাবস্থার একটা জরুরী অঙ্গ আর নিজেদের জিজ্ঞেস করলাম কেন আমরা যে মোডেম বর্তমানে ব্যবহার করছি সেটা একটা আলাদা পারিপার্শ্বিকের জন্য তৈরি, যেখানে সর্বত্র ইন্টারনেট আছে, যেখানে সর্বত্র বিদ্যুত সরবরাহ আছে, অথচ আমরা এখানে নাইরোবিতে বসে আর আমাদের কাছে এই বিলাসিতাগুলো সহজলভ্য নয়। আমরা মোডেমকে অন্য ভাবে ডিজাইন করতে চাইলাম। উন্নয়নশীল বিশ্বের জন্য, আমাদের পরিস্থিতির জন্য, আর আমাদের বাস্তবের জন্য। কেমন হত যদি আমরা আরও মসৃণ সংযোগ ব্যাবস্থা পেতে পারতাম?

6:13

এটা হল বিআরসিকে। এটা ইন্টারনেটের ব্যাকআপ হিসেবে কাজ করে, যাতে কখনো বিদ্যুত চলে গেলে, এটা স্বয়ংক্রিয় ভাবে সবথেকে কাছের জিএসএম নেটওয়ার্কে সংযোগ স্থাপন করে। আফ্রিকাতে মোবাইল সংযোগ ব্যবস্থা বিস্তৃত। এটা কার্যত সব জায়গায় আছে। বেশীরভাগ শহরে অন্তত পক্ষে থ্রি জি সংযোগের ব্যবস্থা আছে। তো সেটা ব্যবহার করলে কেমন হয়? আর তাই আমরা এটা তৈরি করলাম। অন্য যে কারণে আমরা এটা তৈরি করেছি সেটা হল, যখন বিদ্যুত চলে যায়, এটাতে আট ঘন্টা চলার মত ব্যাটারি থাকে, তো আপনি কাজ চালিয়ে যেতে পারেন, আপনি কার্যক্ষম থাকতে পারেন, আর মোটের ওপর আপনার মানসিক চাপ কম হয়। আর গ্রামীণ অঞ্চলে এটাই হতে পারে সংযোগ সাধনের প্রাথমিক উপায়।

6:58

উশাহিদির সফটওয়্যার চেতনা এখনও কাজ করে যখন আমরা নিজদের প্রশ্ন করি যে আমরা ক্লাউডকে কিভাবে ব্যবহার করে বুদ্ধিমত্তা আরও বাড়াতে পারি যাতে আপনি বিভিন্ন নেটওয়ার্ক পরীক্ষা করতে পারেন, আর যখন আপনি ব্যাকআপে বদল করবেন, আপনি দ্রুততম নেটওয়ার্ক বেছে নিতে পারেন, তো আমাদের কাছে একাধিক সিম ব্যাবহারের ক্ষমতা থাকবে, যাতে আপনি একাধিক সিম ব্যাবহার করতে পারেন, আর যদি কোন নেটওয়ার্ক বেশী দ্রুত হয়, তো আপনি সেই নেটওয়ার্কই ধরতে পারবেন, আর যদি সেই নেটওয়ার্কের সংযোগ তেমন ভালো না হয়, তো আপনি পরেরটা ধরে নেবেন। আপনাকে যে কোনও জায়গায় সংযোগ স্থাপন করতে দিতে পারাটাই হল উদ্দেশ্য। লোডের সামঞ্জস্য বজায় রাখলে এটা করা যায়।

7:34

আরেকটা যে জিনিসে আমরা আগ্রহী - - আমাদের পছন্দ হল সেন্সর — এই পরিকল্পনা যে একটা প্রবেশ পথ তৈরি করা যায় ইন্টারনেটে সংযোগের জন্য। কল্পনা করুন এমন একটা আবহাওয়া দপ্তর যেটা এটাতে যুক্ত হতে পারে। এটা স্বয়ং সম্পূর্ণ একটা একক হিসাবে নির্মিত হওয়ার জন্য আপনি এটাতে যুক্ত করতে পারেন একটা স্যাটেলাইট মডিউল যাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ইন্টারনেট সংযোগ সম্ভব হয়।

7:55

প্রতিকূলতা নতুন ভাবনার জন্ম দেয়, আর আমরা কিভাবে উচ্চাকাঙ্ক্ষী কোডার আর নির্মাণকারীদের কেনিয়ার সমস্যাসঙ্কুল পরিকাঠামোর সঙ্গে খাপ খাওয়াতে সাহায্য করতে পারি? আর আমাদের ক্ষেত্রে, আমরা সমস্যার সমাধান শুরু করলাম আমাদের নিজেদের বাড়ির উঠোন থেকে।

8:11

এটাতে সমস্যা কম ছিল না। আমাদের দলটা মূলত ভারবাহী জীবের মত কম্পোনেন্ট নিয়ে আসছিল যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনিয়াতে। আমাদের খুব চমকপ্রদ কথাবার্তা চলত সীমানার শুল্ক বিভাগের এজেন্টদের সঙ্গে। "আপনি কি নিয়ে আসছেন?" আর স্থানীয় আর্থিক সংস্থানগুলো হার্ডওয়্যার প্রকল্পগুলোর কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত ছিল না। তাই আমরা এটা কিকস্টার্টারের ওপর ন্যস্ত করেছিলাম, আর আজ আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, বহু লোকের সহযোগিতায়, শুধু এখানেই নয়, অনলাইনেও, বিআরসিকে-র পথ চলা শুরু হয়ে গেছে, আর এবার শুরু হবে এটা বাজারে আনার চিত্তাকর্ষক অধ্যায়।

8:45

আমি এটা বলে শেষ করবো যে, আমরা যদি এটার সমাধান করতে পারি স্থানীয় বাজারের ক্ষেত্রে, তাহলে সেটার প্রভাব পড়বে শুধুমাত্র নাইরোবির কোডারদের ওপর না ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর যাদের দরকার নির্ভরযোগ্য সংযোগ ব্যবস্থা, আর এটা সংযোগ স্থাপনের খরচও কমিয়ে দেবে, আর আশা করা যায় আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।

9:04

আমারা মনে করি যে ডিজিটাল অর্থনীতির মূল উপাদান হল সংযোগ ব্যবস্থা আর বাণিজ্যিক উদ্যম। বিআরসিকে হল আমাদের অবদান আফ্রিকাবাসীদের সংযুক্ত রাখার জন্য, আর বিশ্বব্যপি ডিজিটাল বিপ্লবকে চালনা করতে ওদের সাহায্য করার জন্য।

9:22

ধন্যবাদ।

9:23

(হাততালি)

উশাহিদি সফটওয়্যারের সহপ্রতিষ্ঠাতা, নাইরোবির জুলিয়ানা রোটিস জানাচ্ছেন যে আফ্রিকার সর্বত্র প্রযুক্তিভিত্তিক দলগুলোর খুব দ্রুত প্রসার ঘটছে। কিন্ত এই অঞ্চলের ঘন ঘন ব্ল্যাক আউট আর খামখেয়ালী ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবস্থা, সংযোগ স্থাপন করা আর সংযুক্ত হয়ে থাকার অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। তাই রোটিশ ও তার সহযোগীরা মিলে তৈরি করেছেন বি আর সি কে, যা উন্নয়নশীল বিশ্বকে স্থিতিস্থাপক সংযোগ ব্যবস্থা পেতে সাহায্য করছে।

About the speaker
Juliana Rotich · Tech entrepreneur

Juliana Rotich is the co-founder of Ushahidi, open-source software for collecting and mapping information — and of iHub, a collective tech space in Nairobi, Kenya. She is a TED Senior Fellow.

Juliana Rotich is the co-founder of Ushahidi, open-source software for collecting and mapping information — and of iHub, a collective tech space in Nairobi, Kenya. She is a TED Senior Fellow.