Return to the talk Return to talk

Transcript

Select language

Translated by Apala Sengupta
Reviewed by Palash Ranjan Sanyal

0:11 মিরান্ডা ওয়াং: আমরা এখানে দুর্ঘটনা নিয়ে কথা বলতে এসেছি। আপনাদের দুর্ঘটনা কেমন লাগে? আমরা যখন দুর্ঘটনা নিয়ে চিন্তা করি, আমরা সাধারণত ওদের বিবেচনা করি ক্ষতিকর, দুর্ভাগ্যজনক অথবা বিপদজনক হিসেবে, আর নিশ্চিতভাবে ওগুলো এসব হতে পারে। কিন্তু ওগুলো কি সব সময় এত খারাপ হয়? উদাহরণ হিসেবে, পেনিসিলিনের আবিষ্কার যার থেকে হয়েছিল, সেটা ইতিহাসের সব থেকে সৌভাগ্যজনক দুর্ঘটনার একটা। জীববিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং-এর ছাতা ধরার দুর্ঘটনা ছাড়া, যেটার পেছনে ছিল অবহেলিত একটা কাজের জায়গা, আমরা এতগুলো ব্যাকটেরিয়া ঘটিত সংক্রমণের সঙ্গে পেরে উঠতাম না।

0:43 জিনি ইয়াও: মিরান্ডা আর আমি আজ এখানে এসেছি কারণ আমরা সবাইকে বলতে চাই কি ভাবে আমাদের দুর্ঘটনাগুলো আবিষ্কারের পথ দেখিয়েছিল। ২০১১ সালে আমরা ভ্যাঙ্কুভার বর্জ্য অপসারণ কেন্দ্র দেখতে যাই আর প্লাস্টিক বর্জ্যের এক বিশাল গর্ত দেখি। আমরা বুঝতে পেরেছিলাম যে যখন প্ল্যাস্টিক বর্জ্য আবর্জনার স্তূপে পৌঁছায়, একই রকম ঘনত্বের জন্য তাদের আলাদা করা খুব মুশকিল, আর এগুলো যখন জৈব পদার্থ আর নির্মাণ কার্যে উৎপাদিত জঞ্জালের সঙ্গে মিশে থাকে, তখন সেগুলোকে বেছে আলাদা করা আর পরিবেশ থেকে অপসারণ করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।

1:09 মিরান্ডা ওয়াং: কিন্তু প্ল্যাস্টিক অনেক কাজে লাগে কারণ তা টেঁকসই, নমনীয়, আর একে অনেক রকম ব্যবহারযোগ্য আকার দেওয়া যায়। এই সুবিধার একটা অসুবিধা হল যে এর জন্য চড়া মূল্য দিতে হয়। প্ল্যাস্টিক কিছু গুরুতর সমস্যার সৃষ্টি করে, যেমন বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতি করা, প্রাকৃতিক সম্পদগুলোকে দূষিত করা, আর ব্যবহারযোগ্য জমির পরিমাণ হ্রাস করা। আপনারা এখানে যে ছবিটা দেখছেন সেটা প্রশান্ত মহাসাগরের মহাবলয়ের। যখন আপনারা প্ল্যাস্টিক দূষণ নিয়ে চিন্তা করেন আর সামুদ্রিক পরিবেশ নিয়ে, প্রশান্ত মহাসাগরের মহা বলয়ের কথা মনে আসে, যেটা আসলে প্ল্যাস্টিক বর্জ্যের একটা ভাসমান দ্বীপের মত। কিন্তু এখন আর কোন সঠিক চিত্র পাওয়া যায় না সামুদ্রিক পরিবেশে প্ল্যাস্টিক দূষণের। বর্তমানে এই মহাসাগর আসলে প্ল্যাস্টিক বর্জ্যের এক মিশ্রণে পরিণত হয়েছে, আর আপনি মহাসাগরে এমন কোন জায়গা খুঁজে পাবেন না যেখানে প্ল্যাস্টিকের কণা নেই।

1:56 জিনি ইয়াও: প্ল্যাস্টিকের ওপর নির্ভরশীল সমাজে, উৎপাদন কম করা একটা ভাল লক্ষ্য, কিন্তু সেটা করাই যথেষ্ট নয়। আর সেই জঞ্জালের কি হবে যেটা ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে? প্ল্যাস্টিকের জৈব পচনের জন্য কয়েকশ থেকে কয়েক হাজার বছর সময় লাগে। তাই আমরা ভাবলাম, কি বলুন তো? এই জঞ্জালগুলোকে ওখানে জমে স্তূপ হতে দেখার পরিবর্তে, ওদের উপাদানগুলো ভাঙ্গার একটা উপায় খুঁজে বের করা যাক ব্যাক্টেরিয়ার সাহায্যে। শুনতে দারুণ লাগছে, তাই না?

2:20 শ্রোতারা: হ্যাঁ। জিনি ইয়াও: আপনাদের ধন্যবাদ। কিন্তু আমাদের একটা সমস্যা ছিল। দেখুন, প্ল্যাস্টিকের গঠন খুবই জটিল আর এর জৈব পচন ঘটানো খুব মুশকিল। যাই হোক, আমরা কুতূহলী আর আশাবাদী ছিলাম আর সব কিছু সত্ত্বেও একবার চেষ্টা করতে চাইলাম।

2:32 মিরান্ডা ওয়াং: আর এই উদ্দেশ্য মাথায় রেখে, আমি আর জিনি ইন্টারনেটে প্রায় কয়েকশ বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ পড়েছিলাম, আর আমরা একটা গবেষণা পরিকল্পনার খসড়া তৈরি করলাম আমাদের দ্বাদশ শ্রেণীর শুরুতে। আমরা ঠিক করলাম আমাদের স্থানীয় ফ্রেসার নদীতে ব্যাকটেরিয়া খুঁজবো যেটা থ্যালেটস নামে ক্ষতিকর প্ল্যাস্টিক উপাদানকে ভাঙতে পারবে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত প্ল্যাস্টিক সামগ্রীতে থ্যালেটস সংযোজিত পদার্থ হিসেবে ব্যবহৃত হয় যাতে সেগুলো নমনীয়, টেঁকসই আর স্বচ্ছ হয়। যদিও এগুলো প্লাস্টিকেরই অংশ, এরা প্ল্যাস্টিকের মূল কাঠামোর সঙ্গে সমযোজী ভাবে যুক্ত থাকে না। এর ফলে এগুলো সহজেই মুক্ত হয়ে আমাদের পরিবেশে মিশে যায়। থ্যালেটস শুধুমাত্র আমাদের পরিবেশই দূষিত করে না, এরা আমাদের শরীরও দূষিত করে। আর ব্যাপারটা আরও খারাপ হয় যখন সেই সব পণ্যে থ্যালেটস পাওয়া যায় যেগুলো আমরা খুব বেশি ব্যবহার করি, যেমন বাচ্চাদের খেলনা, পানীয়ের পাত্র, প্রসাধন সামগ্রী, আর এমনকি খাবারের মোড়ক। থ্যালেটস ভয়ানক কারণ এটা খুব সহজে আমাদের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। এটা ত্বকের সংস্পর্শে, খাবার, আর নি:শ্বাসের সঙ্গে দেহে শোষিত হতে পারে।

3:28 জিনি ইয়াও: প্রতি বছর কম করে ৪৭০ কোটি পাউন্ড থ্যালেটস আমাদের বায়ু, জল আর মাটিকে দূষিত করে। এমনকি পরিবেশ সংরক্ষণ সংস্থাও এই গোষ্ঠীর দূষককে সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ শ্রেণীতে রেখেছে কারণ জানা গেছে যে এরা ক্যানসার আর জন্মগত ত্রুটি ঘটায় হরমোনের কাজ ব্যাহত করার মাধ্যমে। আমরা পড়েছিলাম যে প্রতি বছর ভ্যাঙ্কুভার পৌরসভা নদীতে থ্যালেটসের পরিমাণের মাত্রা নিরীক্ষণ করে তাদের নিরাপত্তা যাচাই করার জন্য। তাই আমরা ভাবলাম যদি আমাদের ফ্রেসার নদীতে এমন জায়গা থাকে যেটা থ্যালেটস দ্বারা দূষিত, আর যদি সেখানে এমন ব্যাকটেরিয়া থাকে যারা ঐ অঞ্চলে জীবন ধারণে সক্ষম, তাহলে হয়ত, হয়ত এই ব্যাকটেরিয়াদের বিবর্তন ঘটেছে যার ফলে এরা থ্যালেটস ভাঙতে পারে।

4:06 মিরান্ডা ওয়াং: তাই আমরা এই দারুণ ধারনাটার উপস্থাপনা করলাম ব্রিটিশ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ডঃ লিন্ডসে এল্টিসের কাছে, আর অপ্রত্যাশিত ভাবে, উনি সত্যই আমাদের ওনার গবেষণাগারে নিয়ে গেলেন আর ওনার স্নাতক স্তরের ছাত্র অ্যাডাম ও জেমসকে বললেন আমাদের সাহায্য করতে। তখন আমরা বুঝতে পারিনি যে জঞ্জালের গাদায় একবার ঘুরতে যাওয়া, আর ইন্টারনেটে কিছু গবেষণা করা আর এই অনুপ্রেরণাকে কাজে লাগানোর সাহস জোগাড় করা আমাদের জীবন বদলে দিয়ে নিয়ে যাবে দুর্ঘটনা আর আবিষ্কারের এক নতুন যাত্রা পথে।

4:32 জিনি ইয়াও: আমাদের এই পরিকল্পনার প্রথম পদক্ষেপ ছিল তিনটে আলাদা আলাদা জায়গা থেকে মাটির নমুনা জোগাড় করা ফ্রেসার নদীর ধারে। হাজার হাজার ব্যাকটেরিয়ার ভেতর আমরা সেগুলো খুঁজছিলাম যেগুলো থ্যালেটস ভাঙতে পারে, তাই আমরা আমাদের কালচারওগুলোতে কার্বনের উৎস হিসাবে প্রচুর থ্যালেটস দ্বারা সমৃদ্ধ করলাম। এর ফলে যদি ওই কালচারে কোন কিছুর বৃদ্ধি ঘটে তাহলে তাদের জন্য থ্যালেটস-এর সাহায্যে জীবন ধারণ করা সম্ভবপর হতে হবে। এই সময় থেকে সব কিছু ঠিকঠাক চলে ছিল, আর আমরা চমৎকার বৈজ্ঞানিকে পরিণত হলাম। (হাস্যরোল)

4:56 মিরান্ডা ওয়াং: আঃ, জিনি। জিনি ইয়াও: আমি মজা করছিলাম।

4:59 মিরান্ডা ওয়াং: আচ্ছা। আসলে এটাতে আমারও দোষ ছিল। আমার ভুলে বোতলটাতে চিড় ধরে গিয়েছিল যেটাতে আমাদের তৃতীয় সমৃদ্ধ কালচার ছিল, আর এর জন্য আমাদের জীবাণু বৃদ্ধি ঘটানোর ঘরটা দু'বার মুছতে হল ব্লিচ আর ইথানল দিয়ে। আর এটা ছিল আমাদের গবেষণা দরুন ঘটা অনেক দুর্ঘটনার একটা উদাহরণ মাত্র। কিন্তু এই ভুলটা একটা দৈবযোগে পরিণত হয়েছিল। আমরা দেখলাম যে কালচার গুলোর ক্ষতি হয়নি সেগুলো বিপরীত দূষণ মাত্রাযুক্ত জায়গা থেকে নেওয়া, তাই এই ভুল থেকে আমাদের ভাবনা এলো যে হয়তো বিপরীত দূষণ মাত্রাযুক্ত জায়গা থেকে নেওয়া ব্যাকটেরিয়ার ভাঙ্গার ক্ষমতার তুলনা করা যেতে পারে।

5:36 জিনি ইয়াও: এখন যখন আমরা ব্যাকটেরিয়াটার বৃদ্ধি ঘটাতে পেরেছিলাম আমরা ওগুলো মেডিয়েট প্লেটে স্ট্রিকিং পদ্ধতির মাধ্যমে আলাদা করতে চাইলাম, কারণ আমাদের মনে হয়েছিল যে এটা কম দুর্ঘটনা প্রবণ হবে, কিন্তু আমরা আবারও ভুল ভেবেছিলাম। আমরা স্ট্রিকিং করার সময় আমাদের আগারে ফুটো করে ফেলেছিলাম আর কিছু নমুনা আর ছত্রাক দূষিত হয়ে গেছিল। এর ফলে আমাদের বার বার স্ট্রিক করতে হচ্ছিল। এরপর আমরা থ্যালেটস-এর ব্যাবহার আর ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করলাম, আর দেখলাম যে এদের মধ্যে একটা বিপরীত পারস্পরিক সম্পর্ক আছে, তাই যখন ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, থ্যালেটস-এর ঘনত্ব কমতে থাকে। এর অর্থ হল আমাদের ব্যাকটেরিয়াগুলো সত্যই থ্যালেটস খেয়ে বেঁচে ছিল।

6:11 মিরান্ডা ওয়াং: এখন যখন আমরা সেই ব্যাকটেরিয়াটা পেয়ে গিয়েছিলাম যেটা থ্যালেটস ভাঙতে পারে, আমাদের মনে প্রশ্ন এলো যে এটা কোন ব্যাকটেরিয়া। তাই জিনি আর আমি আমাদের সব থেকে কর্মক্ষম তিনটি প্রজাতি নিয়ে ওদের ওপর জীন অ্যামপ্লিফিকেশন সিকোয়েন্সিং (জীন পরিবর্ধন অনুক্রমণ) প্রণালী প্রয়োগ করলাম আর প্রাপ্ত তথ্য একটা অনলাইন ডাটাবেসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখলাম। আমরা খুশি হয়েছিলাম দেখে যে যদিও আমাদের তিনটে ব্যাকটেরিয়ার প্রজাতি আগে থেকেই সনাক্ত করা হয়েছিল, ওদের মধ্যে দুটোর সঙ্গে আগে কখনো থ্যালেটস ভাঙ্গার যোগাযোগ স্থাপিত হয়নি, তাই এটা আসলে একটা নতুন আবিষ্কার ছিল।

6:37 জিনি ইয়াও: এই জৈব ক্ষয় কিভাবে কাজ করে সেটা ভালোভাবে বোঝার জন্য আমরা আমাদের তিনটে প্রজাতির ক্যাটাবলিক প্রক্রিয়া যাচাই করতে চাইছিলাম। এটা করার জন্য আমরা আমাদের ব্যাকটেরিয়া থেকে উৎসেচক নিষ্কাশন করলাম আর সেটার সঙ্গে থ্যালিক অ্যাসিডের একটা অন্তর্বর্তী পদার্থের সঙ্গে বিক্রিয়া ঘটালাম।

6:51 মিরান্ডা ওয়াং: আমরা স্পেক্ট্রোফটোমেট্রি যন্ত্রের মাধ্যমে এই পরীক্ষাটা পর্যবেক্ষণ করছিলাম আর এই সুন্দর গ্রাফটা পেলাম। এই গ্রাফটায় দেখা যায় যে আমাদের ব্যাকটেরিয়ার সত্যিই একটা জীনগত প্রক্রিয়া আছে যেটা থ্যালেটস-এর জৈব ক্ষয় ঘটায়। আমাদের ব্যাকটেরিয়া ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ থ্যালেটস এর রূপান্তর ঘটাতে পারে যার ফলে সেটা শেষ পর্যন্ত কার্বন ডাই অক্সাইড, জল আর অ্যালকোহলে পরিণত হয়।

7:09 আমি জানি এই ভিড়ে আপনারা কেউ কেউ ভাবছেন যে কার্বন ডাই অক্সাইড তো খুবই বাজে, একটা গ্রিন হাউস গ্যাস। কিন্তু আমাদের ব্যাকটেরিয়া যদি থ্যালেটস ভাঙ্গার জন্য বিবর্তিত না হত, তাহলে ওরা কার্বনের জন্য অন্য কোন উৎস ব্যবহার করতো আর বায়ুজীবী শ্বসনের জন্য শেষমেশ সেই কার্বন ডাই অক্সাইড এর মত কোন অবশেষ পদার্থ তৈরি হত।

7:25 আমরা এটাও জানতে উৎসুক ছিলাম যে যদিও আমরা পাখিদের বিচরণ স্থান থেকে অনেক বেশী বৈচিত্র্যের জৈব ক্ষয় করতে সক্ষম ব্যাকটেরিয়া পেয়েছিলাম, কিন্তু সব থেকে দক্ষ ক্ষয়কারী ব্যাকটেরিয়া পাওয়া গেছিল জঞ্জালের গাদায়। এর থেকে এটাই পুরোপুরি স্পষ্ট হয় যে প্রকৃতি বিবর্তিত হচ্ছে প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে।

7:41 জিনি ইয়াও: আমি আর মিরান্ডা আমাদের এই গবেষণা স্যানোফি বায়োজিনিয়াস চ্যালেঞ্জ প্রতিযোগিতায় দিয়েছিলাম আর সব থেকে বেশী বাণিজ্যিক সম্ভাবনা থাকার জন্য এটা স্বীকৃতি পেয়েছিল। যদিও আমরা প্রথম ব্যক্তি ছিলাম না যারা এমন ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেছিল যেগুলো থ্যালেটস ভাঙতে পারে, কিন্তু আমরাই প্রথম ছিলাম যারা আমাদের স্থানীয় নদীতে আমাদের স্থানীয় সমস্যার একটা সম্ভাব্য সমাধান খুঁজে পেয়েছিলাম। আমরা শুধু এটাই প্রমাণ করিনি যে ব্যাকটেরিয়া প্ল্যাস্টিক দূষণের সমাধান হতে পারে, এটাও প্রমাণ করেছিলাম অনিশ্চিত ফলাফল আর ঝুঁকি নিতে রাজি থাকলে অপ্রত্যাশিত আবিষ্কারের সুযোগ তৈরি হয়।

8:12 এই পুরো যাত্রায় আমরা বিজ্ঞানের প্রতি আমাদের ভালোবাসাকেও আবিষ্কার করেছি আর বর্তমানে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা চালাচ্ছি অন্যান্য জীবাশ্ম জ্বালানীর রাসায়নিক পদার্থ নিয়ে। আমরা আশা করি অদূর ভবিষ্যতে আমরা এমন আদর্শ জীব তৈরি করতে পারবো যারা শুধু মাত্র থ্যালেটস-ই নয়, আরও অনেক রকম অন্যান্য দূষক ভাঙতে সক্ষম হবে। এটা আমরা বর্জ্য জল শোধনাগারে ব্যবহার করতে পারি নদী ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদ শোধন করার জন্য। আর হয়ত এমন একদিন আসবে যখন আমরা কঠিন প্ল্যাস্টিক বর্জ্য পদার্থের সমস্যারও সমাধান করতে পারবো।

8:43 মিরান্ডা ওয়াং: আমার মনে হয় আমাদের এই যাত্রা জীবাণুদের প্রতি আমাদের ধারণার আমূল পরিবর্তন ঘটিয়েছে, আর জিনি আর আমি এটা দেখিয়েছি যে কোন ভুলের থেকেও একটা আবিষ্কার ঘটতে পারে। আইনস্টাইন একদা বলেছিলেন "আপনি যে ধারণা নিয়ে কোন সমস্যার সৃষ্টি করেছিলেন, সেই একই ধারণা দিয়ে সেই সমস্যার সমাধান করতে পারবেন না।" যদি আমরা কৃত্রিম ভাবে প্ল্যাস্টিক তৈরি করি তাহলে আমাদের মনে হয় সেটা ভাঙার উপায় হবে জৈব ভাবে।

9:05 ধন্যবাদ। জিনি ইয়াও: ধন্যবাদ।

9:07 (করতালি)