১০ বছর আগে, আমি গ্লোবাল ডেভলপমেন্ট শেখানোর কাজ নিয়েছিলাম সুইডিশ আন্ডার গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্টদের জন্য,সেটা ছিল প্রায় ২০ বছর আফ্রিকার ইনস্টিটিউশনের সঙ্গে যারা আফ্রিকায় হাঙ্গার নিয়ে স্টাডি করছে, একসঙ্গে সময় কাটানোর পরে তাই আমি পৃথিবীর সম্পর্কে জানবার জন্য কিছুটা আশা করেছিলাম এবং আমি আমাদের মেডিকেল ইউনিভার্সিটিতে ,কারোলিন্সকা ইনস্টিটিউটে,শুরু করেছিলাম একটি আন্ডার গ্র্যাজুয়েট কোর্স নাম গ্রোবাল হেল্থ ৷ কিন্তু যখন আপনি সেই সুযোগটি পান, আপনি কিছুটা নার্ভাস হয়ে পড়েন ৷ আমি ভেবেছিলাম , এই সব ছাত্ররা আমাদের কাছে আসছে প্রকৃতপক্ষে আপনি যতটা হাইযেস্ট গ্রেড পেতে পারেন সুইডিশ কলেজ সিস্টেমে- তাই তারা হয়তো সব কিছু জানতে পারে আমি তাদের কি শেখাতে যাচ্ছি ৷ তাই তারা যখন এসেছিল আমি একটা প্রি-টেস্ট নিয়েছিলাম ৷ এবং সেগুলোর মধ্যে একটা প্রশ্ন যার থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি সেটা হল : "এই পাঁচটি জুড়ির মধ্যে কোন দেশের শিশুদের সবথেকে বেশী মৃত্যু হয় ?"
এবং আমি তাদের একসঙ্গে রাখি, যাতে দেশের প্রত্যেকটি জুড়িতে, একের অপরের থেকে দ্বিগুণ পরিমাণে শিশুদের মৃত্যু হয় ৷ এবং এর মানে এই হয় যে তথ্যের অনিশ্চয়তার থেকে এটি অনেক বেশী বড় পার্থক্য আমি আপনাকে এখানে পরীক্ষায় ফেলব না, কিন্তু এটি হল তুর্কী, যেখানে এটি সবথেকে বেশী, পোল্যান্ড, রাশিয়া, পাকিস্তান এবং সাউথ আফ্রিকা এবং এইগুলি ছিল সুইডিশ ছাত্রদের রেজাল্ট ৷ আমি এটা করেছিলাম তাই আমি পেয়েছিলাম গোপন বিরাম, যেটি খুবই সংকীর্ণ, এবং আমি আনন্দিত হয়েছিলাম, অতি অবশ্যই : পাঁচটির মধ্যে একটি ১.৮ সঠিক উত্তর সম্ভব ৷ তার মানে এই যে ইন্টারন্যাশলান হেল্থ-এর একজন প্রফেসরের জন্য একটা জায়গা ছিল-- (হাসি) এবং আমার কোর্সের জন্য ৷
কিন্তু একদিন বেশী রাতে, যখন আমি রিপোর্ট তৈরী করছিলাম আমি সত্যিই আমার আবিষ্কার উপলব্ধি করেছিলাম ৷ আমি দেখিয়েছি সুইডিশ টপ স্টুডেন্টরা পরিসংখ্যানগত দিক দিয়ে তাত্পর্যপূর্ণভাবে শিম্পাঞ্জিদের থেকে পৃথিবীর সম্বন্ধে কম জানে (হাসি) কারণ শিম্পাঞ্জি আধা সঠিক স্কোর করবে যদি আমি তাদের শ্রী লঙ্কা এবং তুর্কীর সঙ্গে দুটো কলা দি ৷ ওরা অর্ধেক কেসে সঠিক হবে ৷
কিন্তু ছাত্ররা সেখান নেই৷ আমার কাছে না জানাটা সমস্যা ছিল না এটি ছিল পূর্বকল্পিত ধারণা৷
আমি করোলিন্সকা ইনস্টিটিউটের প্রফেসারদের একটি অনৈতিক স্টাডিও করেছি৷ (হাসি) যারা মেডিসিন-এ নোবেল প্রাইজ দেয় এবং তারা সেথানকার শিম্পাঞ্জিদের সঙ্গে সমতুল্য ৷ (হাসি) এটা সেই জায়গা যেখানে আমি অনুভব করেছি যে প্রকৃতই যোগাযোগের প্রযোজন আছে, কারণ পৃথিবীতে কি ঘটছে তার তথ্য এবং প্রত্যেক দেশের শিশুদের স্বাস্থ্যর বিষয়ে অতি সচেতন ৷
আমরা এই সফ্টওয়্যারটি করেছি যেটি এইভাবে ডিসপ্লে করে- এখানে প্রত্যেকটি বাবল্ একটি দেশ এখান এই দেশটি হল চীন৷ এই হল ভারত৷ এই বাবলের সাইজ হল জনসংখ্যা, এবং এই অ্যাক্সিসে এখানে আমি ফার্টিলিটি রেট যোগ করছি কারণ আমার ছাত্ররা, তারা কি বলেছে যখন তারা পৃথিবীর দিকে তাকিয়েছে, এবং আমি তাদের জিজ্ঞাসা করেছিলাম, "তোমরা পৃথিবীর সম্বন্ধে কি প্রকৃতপক্ষে কি ভাবো ?" ওয়েল,প্রধানতঃ আমি প্রথম আবিষ্কার করেছিলাম যে পাঠ্য বইটা ছিল টিনটিন (হাসি) এবং তারা বলেছে," এই পৃথিবী এখনও ' উই ' এবং ' দেম' এবং উই হল পাশ্চাত্য জগত এবং দেম হল তৃতীয় বিশ্ব " আমি বলেছিলাম " এবং পাশ্চাত্য জগত বোলতে আপনি কি বোঝাতে চাইছেন ?" " ওয়েল, সেটা হল দীর্ঘ জীবন এবং ছোট পরিবার, এবং তৃতীয় বিশ্ব হল ছোট জীবন এবং বড় পরিবার "
তাই এটাই আমি এখানে ডিসপ্লে করতে পারি ৷ আমি এখানে ফার্টিলিটি রেট দিয়েছি৷ মহিলা প্রতি এক, দুই, তিন, চার থেকে ৮ টি শিশু পর্যন্ত সমস্ত দেশের পরিবারের সাইজের ওপর----১৯৬২ থেকে -১৯৬০ পর্যন্ত আমাদের খুব ভাল তথ্য আছে এজ়ায়গায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। এখানে আমি কিছু দেশের ৩০ থেকে ৭০ বছর সময়ের মধ্যে দেখেছি জন্মমুহুর্তে বেঁচে থাকার হার। এটা ১৯৬২ সালের কিছু শিল্পসমৃদ্ধ দেশ। এইসব দেশে ছিল ছোট ছোট পরিবার আর লম্বা জীবন। আর এইগুলি ছিল উন্নতশীল দেশঃ এইসব দেশে ছিল বড় বড় পরিবার আর সেই অনুপাতে ছোট ছোট জীবন। এখন দেখা যাক ১৯৬২ থেকে কি ঘটেছে? আমরা পরিবর্তন টা দেখতে চাই। ছাত্র রাই কি ঠিক?এখনও কি এটা দুরকমের দেশ? অথবা এই উন্নতশীল দেশগুলিতে কি ছোট ছোট পরিবার বাস করছে? অথবা এগুলিতে কি লম্বা জীবন লাভ করা মানুষ ই বাস করছে?
দেখা যাক। আমরা তখন পৃথিবীর ছবি দেখান বন্ধ করে দিয়েছিলাম।এটা ইউ এন এর পরিসংখ্যান যা দেখান হচ্ছে।আপনারা কি দেখতে পাচ্ছেন? এদিকটা চীনদেশ,এরা সুস্বাস্থ্যের বিরুদ্ধে এগিয়ে যাচ্ছে,উন্নতি করছে। সমস্ত সবুজ লাতিন আমেরিকার দেশগুলি স্বপক্ষে এগিয়ে যাচ্ছে। আপনাদের এই হলুদ অংশগুলি সব আরবজাতির দেশ, এদের পরিবার সব বড়,কিন্তু এদের কাছে লম্বা জীবন ,কিন্তু বড় পরিবার নয়। নীচের এই সবুজ টা হল আফ্রিকার মানুষ। এরা এখনও এখানে রয়েছে। এটা ভারতবর্ষ। ইন্দোনেসিয়া খুব তাড়াতাড়ি এগোচ্ছে। {হাসি} এটা আশির দশক,বাংলাদেশ তখন ও আফ্রিকান দেশগুলির মধ্যে রয়েছে। কিন্তু এখন,বাংলাদেশ এ আশির দশকে এক্তটা মির্যাকেল ঘটে গেছেঃ ইমামরা পরিবার পরিকল্পনায় উদ্যোগ নেওয়া শুরু করেছে। তারা ওই অবধি এগিয়ে যেতে পেরেছে। ৯০ এর দশকে এইচ আই ভি মহামারীর আকার ধারন করাতে আফ্রিকার দেশগুলির বেঁচে থাকার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গেল আর অন্যরা সবাই লম্বা জীবন আর ছোট পরিবারের পক্ষে অগ্রসর হল আর আমরা সম্পূর্ন নতুন পৃথিবী পেলাম। {হাততালি}
এখন আমি ইউনাইটেড স্টেটস অফ আমেরিকা আর ভিয়েতনামের সরাসরি তুলিনা করব। সাল ১৯৬৪ঃ আমেরিকায় ছোট পরিবার আর লম্বা জীবন; ভিয়েতনামের বড় বড় পরিবার আর ছোট ছোট জিবন।এর ফলে কি হল যুদ্ধকালীন সময়ে যে তথ্য তাতে দেখা গেল প্রায় সকলের মৃত্যু হলেও বেঁচে থাকার সম্ভাবনায় একটা উন্নতি দেখা গেল। বছরের শেষে ভিয়েতনামে পরিবার পরিকল্পনা শুরু হল ও তারা ছোট পরিবার গঠনে আগ্রহী হল। আর ওপরের এই ইউনাইটেড স্টেটস পরিবার কে ছোট রেখে লম্বা জীবনে আগ্রহী হল।আর এখন আশির দশকে এরা সাম্যবাদী পরিকল্পনা ছেড়ে বাজার অর্থনীতির দিকে ঝূঁকেছে, আর এটা সামাজিক জিবনের থেকেও দ্রুততর বেগে চলেছে। আর আজ ২০০৩ সালের ভিয়েতনামে সেই ১৯৭৪ সালের ইউনাইটেড স্টেটস এর যুদ্ধশেষে যে পরিবারের আয়তন ও জীবন প্রত্যাশা ছিল,একই রকম আছে। আমার মনে হয় আমরা যদি তথ্যগুলো না দেখি তাহলে এশিয়ার যে সাংঘাতিক পরিবর্তন তার অবমূল্যায়ন করব, আর এটা অর্থনৈতিক পরিবর্তনের আগে এক্তটা সামাজিক পরিবর্তন।
এবারে আমরা অন্য প্রসঙ্গে যাব যেখানে আমরা রোজগারের জগতে বন্টন দেখাতে পারব। এটা মানুষের রোজগারের একটা বিশ্ববন্টন। দিনপ্রতি এক ডলার,দশ ডলার অথবা একশো ডলার। এখানে ধনী দরিদ্রের কোন পার্থক্য নেই। এটা একটা অলীক কল্পনা। এখানে এক্তটা ঢিপি মত আছে। কিন্তু এখানে লোক আছে। এবং আমরা যদি রোজগার শেষ হওয়ার জায়গাটা দেখি তাহলে দেখব যে- এটা হল ১০০ শতাংশ পৃথিবীর এক বছরের রোজ়গার। ২০ শতাংশ ধণীশ্রেষ্ঠ্ররা ৭৪ শতাংশ র মত নিয়ে নিচ্ছে,আর ২০ শতাংশ গরিব রা প্রায় দু শতাংশ র মত নিতে পারছে। এর থেকে বোঝা যায় যে উন্নতশীল দেশগুলির ধারনা খুব ই সন্দেহজনক।আমরা সাহায্যর কথা চিন্তা করি,যেমন এখানে লোকেরা ওদিকের লোকেদের সাহায্য দিচ্ছে। কিন্তু মাঝখানে, পৃথিবীর জনসংখ্যার বেশিরভাগ টাই রয়েছে,এবং এখন তারা ২৪ শতাংশের মত রোজগার পাচ্ছে।
আমরা এটা অন্যভাবে শুনেছিলাম। এবং এরা কারা? আলাদা দেশগুলি কোথায়? আমি আপনাদের আফ্রিকা দেখাচ্ছি। এটা আফ্রিকা। বিশ্বের জনসংখ্যার ১০ শতাংশ,বেশিরভাগটাই দারিদ্রের কবলে। এটা OECD.একটী ধনী দেশ। U N এর কান্ট্রি ক্লাব। আর এরা এইখানে ওপর দিকে রয়েছে। আফ্রিকা আর OECD মাঝখানে ঝুঁকে রয়েছে। এটা হল লাতিন আমেরিকা। লাতিন আমেরিকায় ধনী থেকে দরিদ্র সবকিছু রয়েছে, এই পৃথিবীতে এদের কিছু অভাব নেই। এর ঠিক ওপরে আমরা পূর্ব ইউরোপ,পূর্ব এশিয়া আর দক্ষিণ এশিয়া কে রাখতে পারি। ১৯৭০ সালে এটাকে কেমন দেখতে লাগত? তখন এখান্টা আরো উঁচু ছিল। আর এখানে যারা চরম দারিদ্রের মধ্যে বাস করত তারা ছিল এশিয়ান। বিশ্বে তখন এশিয়ার দারিদ্র্য টাই এক্তা সমস্যা ছিল। এবং আমি যদি এখন বিশ্বকে সাম্নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই, তাহলে আপনারা দেখতে পাবেন যে,যখন জনসংখ্যা বর্ধিত হচ্ছে তখন কোটি কোটি এশিয়ান দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসছে আর কিছু সংখ্যক দারিদ্র্যের মধ্যে প্রবেশ করছে। এই ধরন টাই এখন চলছে। বিশ্বব্যাঙ্কের সর্বশ্রেষ্ঠ আলোকপাত হল যে এটাই ঘটবে আমরা একটা অবিভক্ত বিশ্বের অধিকারী হব। সবথেকে বেসি লোক আমরা মাঝখানে পাব।
নিশ্চয় এটা লগ অয়্যরিথমিক এর মাপ, কিন্তু আমাদের অর্থনীতির ধারনা টা শতাংশ বৃদ্ধির সাথে গড়ে ওঠে। এটার মধ্যে আমরা শতাংশ হারে বৃদ্ধির সম্ভাবনা কেই দেখতে পাচ্ছি,যদি আমি এটাকে পরিবর্তন করে পরিবারের রোজগার না নিয়ে মাথাপ্রতি রোজগার নি,আর গ্রস গৃহস্থালী সামগ্রীর একক তথ্যগুলিকে আঞ্চলিক তথ্যে পরিনত করি, আর আমি যদি নিচের এই অঞ্চল্ টা কে নি তাহলে বুদবুদ যে আকার সেটাই জনসংখ্যা। আর আপনারা ওখানে OECD এবং আফ্রিকার নিম্ন সাহারা অঞ্চল পাবেন, আমি আপনাদের এবার আরব দেশে নিয়ে যাব, যা আফ্রিকা এবং এশিয়া দু জায়গা থেকে এসেছে,আমরা এদের আলাদা আলাদা রাখব, আমরা এটার কক্ষপথ কে বাড়াতে পারি, আর আমি এটাকে শিশু অস্তিত্বরক্ষার মত একটা সামাজিক মূল্যবোধ যুক্ত করে এর একটা নতুন মাত্রা আনতে পারি। এখন ওয়ি কক্ষপথের জন্য আমার কাছে টাকা আছে,আর আমার কাছে শিশুদের অস্তিত্ব রক্ষার সম্ভাবনা আছে। কিছু কিছু দেশে ৯৯.৭ শতাংশ শিশুরা পাঁচ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে; অন্যরা সুধু ৭০। এবং এখানে দেখা যাচ্ছে OECD,লাতিন আমেরিকা,পূর্ব ইউরোপ,পূর্ব এশিয়া আরব দেশ,দক্ষিণ এশিয়া আর আফ্রিকার নিম্ন-সাহারা অঞ্চল এর মধ্যে এক্তটা ফাঁক রয়েছে শিশু অস্তিত্ব রক্ষা আর টাকার মধ্যে রৈখিকতা অত্যন্ত প্রখর।
আমি এখন আফ্রিকার নিম্ন-সাহারা অঞ্চলটা ভাগ করব। এখানে স্বাস্থ্য আছে এবং সুস্বাস্থ্য আছে ওপরে এবার আমি এখানে যাচ্ছি আর আফ্রিকার নিম্ন-সাহারা অঞ্ছলকে দেশ অনুযায়ী ভাগ করছি। এবং যখন এটা বিস্ফোরিত হবে দেশের বুদবুদ এর আয়তন টা জনসংখ্যার আয়তনের মত হবে। এর নিচে সিয়েরা লিওন। ওপরে মরিশাস। মরিশাস হচ্ছে প্রথম দেশ যারা বাণিজ্যের বেড়া টপকে তাদের দেশের চিনি বিক্রি করতে পেরেছিল। তারা ইউরোপ আর উত্তর আমেরিকার মত তাদের বোনা কাপড় সমানুপাতে বিক্রি করতে পেরেছিল।
আফ্রিকার মধ্যে বিরাট একটা পার্থক্য রয়েছে। এখানে ঘানা ঠিক মাঝখানে রয়েছে। সিয়েরা লিওন এ মানবিকতার সাহায্য। ট তুমি ছুটি কাটাতে যেতে পার।আফ্রিকার মধ্যে প্রচন্ড বৈচিত্র্য রয়েছে যেটা আমরা খুব কম দেখতে পাই। আমি এখন দক্ষিণ এশিয়াকে ভাগ করতে পারি। ভারত মাঝখানে অবস্থিত এক্তটা বড় বুদবুদ। আফগানিস্তান আর শ্রীলঙ্কার মধ্যে এক্তটা বিশাল পার্থক্য রয়েছে। আমি আরব দেশকে বিভক্ত করতে পারি। কেমন করে? একই জলবায়ু, একই সভ্যতা একই ধর্ম। বিশাল পার্থক্য। এমনকি প্রতিবেশীদের মধ্যেও। ইয়েমেন, গৃহযুদ্ধ। ইউনাইটেড আরব এমিরেটস্,পয়সা যা সমান ভাবে এবং সুন্দর ভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। কাল্পনিক গল্প নয় এটা।এবং এর মধ্যে ওই দেশে বসবাসকারী বিদেশী শ্রমিকের সন্তানরা ও রয়েছে। আপনি যা চিন্তা করেন তার চেয়ে ডাটা অনেক ভাল। অনেকে বলে ডাটা ভাল নয়। সেখানে এক্তটা অনিশ্চিত সীমারেখা রয়েছে। কিন্তু আমরা পার্থক্যটা দেখতে পাইঃ কাম্বোডিয়া,সিঞ্জাপুর। তথ্যের দুর্বলতার থেকেও পার্থক্যটা অনেক বড়। পূর্ব ইউরোপঃ সোভিয়েত অর্থনীতি অনেকদিন পর সম্পূর্ন নতুনভাবে সেজে উঠেছে। এটা হল লাতিন আমারিকা। আজকে আমাদের কিউবায় গিয়ে লাতিন আমেরিকার সুস্থ রাষ্ট্র খুঁজতে হয় না। আজ থেকে কিছু বছর পর চিলি র শিশুমৃত্যুর হার কিউবার থেকে অনেক কম হাবে। আর এখানে OECD র উচ্চ রোজগার সম্পন্ন দেশগুলি আমরা দেখতে পারছি।
আমরা এখানে বিশ্বের পুরো নকশা টা দেখতে পাচ্ছি, যেটা কমবেশি এর মতই। আর যদি আমরা ১৯৬০ সালে পৃথিবী কেমন ছিল তা দেখতে যাই তাহলে এটা চলতে শুরু করবে। ইনি মাও সে-তুং। ইনি চীনদেশের স্বাস্থ্য ফিরিয়েছিলেন। তারপর উনি মারা যান। এরপর দেং জিয়াওপিং এসে চিনদেশের অর্থনীতি কে চাঙ্গা করেছিলেন,চীন কে তিনি আবার মূলস্রোতে ফিরিয়ে এনেছিলেন। এবং আমরা দেখছি দেশগুলি বিভিন্ন দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, সেই দেশের উদাহরন পাওয়া খুব শক্ত যে দেশ পৃথিবীর নকশাটা তুলে ধরবে। আমি এখানে এখন আপনাদের ১৯৬০ সালে নিয়ে যাব। এটা দক্ষিণ কোরিয়া,এর সাথে আমি ঐখানের ব্রাজিল তুলনা করব। লেবেলটা আর এখানে পাওয়া যাচ্ছে না।এইখানে উগান্ডা আছে,আমি এর সাথে এখন তুলনা করব, এটাকে আমি সামনের দিকে এইভাবে নিয়ে যাচ্ছি। আর আপনারা দেখতে পাচ্ছেন দক্ষিন কোরিয়া কি দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে, যেখানে ব্রাজিলের গতি অনেক শ্লথ।
আমি যদি আপনাদের আবার পিছনে নিয়ে যাই,এইখানে,আর আমরা যদি কিছু চিহ্ন এদের ওপর রাখি।এইভাবে, আপনারা আবার দেখতে পাবেন যে উন্নতির যে গতি সেটা ভীষন আলাদা রকমের,আর দেশগুলি কমবেশি একই হারে টাকা আর স্বাস্থ্যের মত এগোচ্ছে,কিন্তু এটা দেখা যায় যে আপনি আরো দ্রুতগতিতে এগোতে পারেন যদি আপনি প্রথমে ধনী না হয়ে প্রথমে স্বাস্থ্যবান হন। আর সেটা দেখাবার জন্য আপনি united Arab Emirate এর দিকে এটা রাখতে পারেন। এরা এইখান্থ থেকে এসেছিল,এক্তটা খনিজের দেশ। এরা সব তেলটুকু তুলে নিয়েছিল আর অনেক টাকার মালিক হয়েছিল,কিন্তু স্বাস্থ্য সুপারমার্কেট এ কিনতে পাওয়া যায় না। স্বাস্থ্যের জন্য আপনাকে বিনিয়োগ করতে হবে। ছেলেমেয়েদের স্কুল এ পাঠাতে হবে। আপনাদের স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। আপনাদের জনগনকে শিক্ষিত করে তুলতে হবে। এবং শেখ সায়েদ এটা খুব সুন্দরভাবে সম্পন্ন করেছিলেন তেলের দাম পড়া সত্তেও তিনি তার দেশকে এইখানে তুলে এনেছিলেন। পৃথিবীর অনেক বেশি মূলস্রোতের দিকে, ফিরে আসার ছবিটা আমরা পেলাম যেখানে সব দেশগুলি অতীতের তুলনায় বর্তমানে তাদের টাকার সুযোগ্য ব্যবহার করেছে এখন যদি দেশগুলির গড় তথ্যের দিকে আপনারা দেখেন তাহলে কমবেশি তারা এইরকম দেখাবে।
এখন গড় তথ্যের ব্যবহার অত্যন্ত বিপদজনক, কারন এখানে দেশগুলির মধ্যে বহু পার্থক্য রয়েছে। যদি আমি এইখান্ টায় দেখি তাহলে আমরা দেখতে পাব যেখানে আজকের উগান্ডা আছে সেখানে ১৯৬০ সালে দক্ষিণ কোরিয়া ছিল। যদি আমি উগান্ডা কে ভাগ করি, তাহলে দেখা যাবে উগান্ডার মধ্যেই বহু পার্থক্য রয়েছে।এগুলি উগান্ডার কুইন্টিলস। ২০ শতাংশ ধনী উগান্ডান রা এখানে আছে। এখানে নিচে দরিদ্রতমরা রয়েছে। যদি আমি দক্ষিণ আফ্রিকা কে ভাগ করি,এটা এইরকম হবে। যদি আমি নিচের দিকে যায় তাহলে আমি নাইজের কে দেখতে পাব,যেখানে এক্তটা ভয়ংকর দুর্ভিক্ষ হয়েছিল, শেষে এটা ঠিক একরকম। ২০ শতাংশ নাইজের এর দরিদ্র সম্প্রদায় এইখানে, আর ২০ শতাংশ দক্ষিণ আফ্রিকার ধনীসম্প্রদায় এইখানে, এখনও আমরা আফ্রিকার সমস্যা সমাধানের আলোচনায় ইচ্ছুক। আফ্রিকায় পৃথিবীর সবকিছুই রয়েছে। HIV ওষূধের বিশ্বজোড়া সুগম্যতা নিয়ে আপনারা আলোচনা করতে পারেন না কারন এটা নিচের মত একি নীতিতে কুইন্টিল রয়েছে। বিশ্বের উন্নতি ভীষনভাবে প্রাসঙ্গিক হওয়া দরকার,আর এটা আঞ্চলিক স্তরে সম্পর্কিত হও্যার কোন প্রয়োজন নেই।আমাদের অনেক বেশি বিস্তৃত হওয়া উচিত। আমরা দেখি যে ছাত্ররা এটা ব্যবহার করতে পেরে খুব উত্তেজিত হয়।
এমনকি যারা পলিসি তৈরী করেন ও কর্পোরেট সেক্টর এর লোকেরা পৃথিবীর এই পরিবর্তন টা দেখতে চান। কিন্তু এটা হয়না কেন? আমাদের কাছে যা ডাটা আছে কেন আমরা তা ব্যবহার করিনা? ইউনাইটেড নেসন এর ন্যাশানাল স্ট্যাটিস্টিকাল এজেন্সি, ইউনিভার্সিটি এবং অন্যান্য বেসরকারী সংস্থার কাছে আমাদের ডাটা আছে। কারন ডাটাগুলি ডাটাবেসের মধ্যে সুপ্ত আছে। জনগন আছে, ইন্টারনেট আছে, কিন্তু আমরা সেগুলিকে ঠিকমত ব্যবহার করিনা।
পৃথিবীতে যে সমস্ত তথ্য পরিবর্তন হচ্ছে সেগুলি সরকারী তথ্য নয়। এই ধরনের কিছু এমন ওয়েবপেজ আছে কিন্তু ডাটাবেস থেকে তারা কিছু উপকারী তথ্য সরিয়ে নিয়েছে। আসলে লোকেদের এর জান্যে মুল্য দিতে হয়েছে। বোকা বোকা পাসওয়ার্ড এবং একঘেঁয়ে পরসংখ্যান। {হাসি} {হাততালি}
কিন্তু এভাবে হবেনা। তাহলে কি দরকার? আমাদের কাছে ডাটাবেস আছে। আপ্অনারা যা চাইছেন তার মতন এটা নতুন নয়। আমাদের কাছে খুব ভাল ডিজাইন টুল আছে। এবং আরো অনেক সংযোজনা হচ্ছে। তাই আমরা একটা নন্প্রফিট ভেঞ্চার তৈরি করেছি যার নাম--লিঙ্কিং ডাটা টু ডিজাইন-- আমরা এটাকে গ্যাপমাইন্ডার বলি, লন্ডন আন্ডারগ্রাউন্ড থেকে আপনাদের সতর্ক করা হয়, মাইন্ড দা গ্যাপ। তাই আমরা ভেবেছিলাম গ্যাপ মাইন্ডার উপযুক্ত। এবং আমরা সফটওয়ার লিখতে শুরু করেছিলাম যেগুলি এই ধরনের ডাটাকে লিঙ্ক করতে পারে। এবং এগুলি খুব কঠিন ছিলনা। এগুলি করতে কয়েক বছর লেগেছিল, এবং আমরা অ্যানিমেশন প্রযোজনা করেছিলাম। আপনারা একটা ডাটাসেট নিতে পারেন এবং সেখানে রাখতে পারেন। আমরা মুক্তহস্তে ইউ এন তথ্য দেওয়া শুরু করেছি। কিছু ইউ.এন.সংস্থা।
কিছু দেশ তাদের ডাটাবেসকে বাইরে পাঠাবার প্রস্তাব গ্রহন করেছে, কিন্তু যেটা আমদের সত্তিকারের দরকার সেটা হল, নিশ্চয় একটা অনুসন্ধান কার্য। অনুসন্ধান কার্য হল সেই জিনিস যেখানে ডাটাকে অনুসন্ধান উপযুক্ত ছাঁচে হুবহু তুলে ধরে পৃথিবীকে দেখাতে পারি। আমরা যখন চারদিকে যাই তখন কি শুনি? আমি মুখ্য পরিসংখান ইউনিটের ওপর নৃতাত্ত্বিক গবেষণা করেছি। প্রত্যেকে বলেন "এটা অসম্ভব। এটা করা জায়না। আমাদের তথ্যগুলি বিস্তারিত ভাবে এতটাই অদ্ভুত যে এটা অন্যদের মতন অনুসন্ধান যোগ্য নয়। আমরা এই ডাটাটিকে বিনা পয়সায় ব্যবসায়ী বা ছাত্রদের হাতে তুলে দিতে পারিনা" কিন্তু এটাই আমরা দেখতে চাই তাইনা? জনগনের হিতার্থে এই তথ্যটি নিচে রয়েছে। আমরা ইন্টারনেট এর মধ্যেই নতুন সম্ভাবনার জন্ম দিতে চাই। এবং এর মধ্যে একটি গুরুতর দিক হল এদের অনুসন্ধানযোগ্য করে তোলা, এবং তখনি লোকেরা বিভিন্ন ডিজাইন টুল ব্যবহার করে এর মধ্যে অ্যানিমেটার এর প্রয়োগ ঘটাবে। এবং আমার কাছে খুব ভাল একটা খবর আছে। এই সুখবরটি হল যে বর্তমান ইউ.এন পরিসংখ্যানের নতুন সর্বময় কর্তা বলেননি যে,এটা অসম্ভব। তিনি খালি বলেছেন,"আমরা পারবনা"। {হাসি} সত্যি খুব চতুর লোক, তাইনা? {হাসি}
সুতরাং আগামী বছরগুলিতে ডাটার ক্ষেত্রে অনেক কিছু ঘটার সম্ভাবনা আমরা দেখতে পারছি। সম্পুর্ন নতুন রুপে আমরা রোজগার বন্টন দেখতে পাব। এটা ১৯৭০ সালের চীনের রোজগার বন্টন। এটা ১৯৭০ সালের ইউনাইটেড স্টেট এর। প্রায় কোনো ওভারল্যাপ ই নেই। আর এতে কি হয়েছে? আর এতে যেটা হয়েছে সেটা হলঃ চীন এগিয়ে চলেছে।এটা মটেই আর একরকম নেই। আর এটাই এখানে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে, ইউনাইটেড স্টেটকে এড়িয়ে যাচ্ছে। প্রায় একটা ভুতের মতন। তাইনা? {হাসি}
এটা বেশ ভয়ের। কিন্তু আমার মনে হয় তথ্য পাওয়াটা খুব গুরুত্বপুর্ন। আমরা সত্যি এটা দেখতে চাই। এটা না দেখিয়ে আমি আপনাদের প্রতি ১০০০ ইন্টারনেট ইউজার দেখিয়ে শেষ করতে চাই। এই সফটওয়ারে, আমরা খুব সহজেই বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ৫০০ রকম বৈচিত্র দেখাতে পারি। এটা পরিবর্তনে কিছু সময় নেবে। কিন্তু এই কক্ষপথগুলিতে আপনি আপনাদের ইচ্ছামতো যেকোনো বৈচিত্র খুব সহজেই পেতে পারেন। এবং এটা করা হয় এই ডাটাবেসগুলি ফ্রীতে খোঁজার জন্ন্যে এবং আবার সেগুলিকে বোঝার জন্যে গ্রাফিক ফর্মাটে পেতে গেলে। সংখ্যাতত্ববিদরা এগুলি পছন্দ করেনা, কারন তারা বলে যে এগুলি বাস্তব নয়; এবং আমাদের স্ট্যাটিস্টিকাল এবং অ্যানালিটিকাল পদ্ধতি থাকা দরকার। কিন্তু এটা অনুমান নির্ভর।
পৃথিবী নিয়ে এখানেই আমি শেষ করছি। ওখানে ইন্টারনেটের আগমন হচ্ছে। ইন্টারনেট ইউজার এর সংখ্যা দেখুন এইভাবে বাড়ছে। এটা হল মাথাপ্রতি জিডিপি। এবং এটা দেখুন একটা নতুন প্রযুক্তি আসছে, কিন্তু তারপর আশ্চর্যজনক ভাবে এটা দেশগুলির অর্থনীতির সাথে কি সুন্দর ভাবে খাপ খাচ্ছে। তাই ১০০ ডলারের কম্পিউটার খুব গুরুত্বপুরন হবে। কিন্তু এটা একটা সুন্দর প্রবনতা। এটা যেন পৃথিবীটা সমতল হয়ে যাচ্ছে। তাইনা? এই দেশগুলি অর্থনীতির থেকেও বেশী ওপরে উঠে আসছে এবং বছরের পর বছর এরকম ভাবেই অনুসরন করবে, ঠিক সেইভাবে যেভাবে আমি আপনাদের জনগন প্রদত্ত ডাটা নিয়ে করার জন্যে দেখতে চাই। অসংখ্য ধন্যবাদ। {হাত্তালি}
You can share this video by copying this HTML to your clipboard and pasting into your blog or web page. This video will play with subtitles.
You either have JavaScript turned off or have an old version of the Adobe Flash Player. To view this rating widget you
need to get the latest Flash player.
If your browser allows only "trusted sites" to execute Javascript, you should add the "googleapis.com" domain to your whitelist to allow our Flash detection to work properly.
Got an idea, question, or debate inspired by this talk? Start a TED Conversation.
আপ্নারা এই ধরনের পরিবেশনা এর আগে ক্কখনো দেখেননি। স্ট্যাটিস্টিক্স গুরু হান্সরোসলিং তথাকথিত উন্নতশীল পৃথিবীর সম্পর্কের যে কল্পকথা সেই ভ্রান্ত ধারনার অপসারন ঘটিয়েছেন।
In Hans Rosling’s hands, data sings. Global trends in health and economics come to vivid life. And the big picture of global development—with some surprisingly good news—snaps into sharp focus. Full bio »
18:57 Posted: Jun 2007
Views 2,159,579 | Comments 221
16:51 Posted: May 2008
Views 429,027 | Comments 118
17:56 Posted: Aug 2010
Views 1,346,074 | Comments 248
Just follow the guidelines outlined under our Creative Commons license.
This comment will be attributed to . Not ? Sign Out.